জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে একাডেমিক কাউন্সিলের ৭৭তম বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর অফিসের কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারের নির্দেশনার আলোকে—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে এ সভা আহ্বান করা হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, সকল অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বহিঃসদস্যবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক এবং গ্রন্থাগারিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহার সাশ্রয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং তাদের একাডেমিক কার্যক্রমে যেন কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, অচিরেই বৈশ্বিক এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
উপাচার্য আরও বলেন, প্রতিটি বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ পরিস্থিতিতে একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখবেন।
সভায় উপস্থিত সদস্যদের প্রস্তাব ও মতামতের ভিত্তিতে, আগামী সপ্তাহ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তাহে একদিন—বৃহস্পতিবার—অনলাইনে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহার কমাতে সকলকে সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন খাতে জ্বালানি ব্যবহারের তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি প্রস্তাব করে বলেন , “অন্তত একদিন পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ রাখা গেলে জ্বালানি ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব হবে।”

