ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারক বা যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, চুক্তি ভঙ্গ, খারাপ উদ্দেশ্য এবং অতিরিক্ত দাবি মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের কোনো ধরনের ছাড় থাকবে না। তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষকে “কঠিন ও চূর্ণকারী জবাব” দেওয়া হবে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, অতীত সংঘাতে প্রতিপক্ষ যে প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছে, পুনরায় একই ধরনের পদক্ষেপ নিলে আরও কঠোর প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে নির্ধারিত একটি বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই বৈঠক বুর্গেনস্টকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা আপাতত বাতিল করা হয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রযুক্তিগত আলোচনার জন্য ইরানের প্রতিনিধি দল পাঠাতে বিলম্ব করছে। লেবানন পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পরও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ইরানি পক্ষের দাবি, আলোচনা এগিয়ে নিতে হলে আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।
গালিবাফ বলেন, যেকোনো আলোচনায় ইরানের “রেড লাইন” মানতে হবে এবং লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে অগ্রগতি সম্ভব নয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো নতুন করে বৈঠকের উদ্যোগ নিচ্ছে।

