ইরান তাদের অগ্রগতি ও আধ্যাত্মিক বিকাশের শত্রুদের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াইয়ে নিজেদের “অসাধারণ সক্ষমতার” একটি অংশ বিশ্বকে দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, সামরিক ক্ষেত্রের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও শত্রুদের আশা ব্যর্থ করতে হবে।
খামেনি বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির জন্য জ্ঞান ও কর্ম এই দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে জ্ঞান দেওয়া, দক্ষ করে তোলা, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা এবং তাদের চরিত্র নির্মাণের দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপর বর্তায়। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা এই জ্ঞান ও দক্ষতা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগাবে।
একই সঙ্গে শ্রমিকদের ভূমিকাও তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের ঘর-বাড়ি, অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, খামার, কারখানা, খনি ও সেবাখাত—সব জায়গায় শ্রমিকদের অবদান রয়েছে। কঠোর পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধ থাকলে দেশের অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি শ্রমিক ও শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক সময় একজন শ্রমিক এমন মর্যাদায় পৌঁছান যে তার দক্ষ হাত সম্মানের সঙ্গে চুম্বন করার মতো।
খামেনি দাবি করেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে এখন একটি শক্তিশালী সামরিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, শিক্ষকরা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের সবচেয়ে কার্যকর শক্তি এবং শ্রমিকরা অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাই তাদের নিজ নিজ অবস্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
এছাড়া, অভিভাবকদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে শ্রমিকদের সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

