অমৃত জ্যোতি (মধ্যনগর) সুনামগঞ্জ:
আমজোড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবণে ভারপ্রাপ্ত আর অস্থায়ী বদলি (ডেপুটেশন)র শিক্ষিকা দিয়েই চলছে প্রাথমিক শিক্ষা পাঠদান কার্য্যক্রম।
সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলাধীন চামরদানী ইউনিয়নের আমজোড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৫২সালে প্রতিষ্ঠা এবং ১৯৯৭-৯৮সালে পাকা ভবণ নির্মিত হয়।
ছয়টি শ্রেণীর অনুকূলে ৪/৫জন শিক্ষক/শিক্ষিকার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও রয়েছেন মাত্র একজন তিনি হলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সাদিয়া আক্তার।তিনি জানান ৩বছর যাবৎ একাই সামলাচ্ছেন বিদ্যালয়ের ৬টি শ্রেণীর প্রায় সত্তরজনের অধিক শিক্ষার্থী।পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয় থেকে একজনকে অস্থায়ী ভাবে দেয়া হয়েছে।তারপরেও এককক্ষে ক্লাস নিলে অন্যকক্ষ খালি রেখে আসতে হয়।এতে করে চরম ভুগান্তি ও শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে বিরুপ প্রভাব পরছে।সবচেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আমার বিদ্যালয়ের ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ন।

সম্প্রতি একটি শিক্ষার্থী এবং একজন অভিভাবকের মাথার উপরে বৈদ্যুতিক পাখা ছুটে পরে গিয়েছিল।তার পর দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় সুস্থ হন তারা।গ্রামের একাধিক অভিভাবক এসে সতর্ক করে গেছেন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস যেন না’করানো হয়।কিন্তু অপারক হয়ে সর্বদাই জীবনঝুকি নিয়ে ক্লাস করাতে হচ্ছে।ভবণ ঝুকিপুর্ণতার বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসকে একাধিকবার অবগত করেছি।দ্রুতার সহিত নতুন ভবণ নির্মাণের সাথে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের জোর দাবী জানাচ্ছি।
মধ্যনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যানুযায়ী পার্শ্ববর্তী জলুষা সরকারী প্রাঃবিদ্যালয় থেকে সেলিনা আক্তার নামে একজনকে ডেপুটেশানে দেয়া হয়েছে।বিদ্যালয়টি ঝুকিপূর্ণ অফিস অবগত রয়েছে এবং উর্ধ্বতনে নতুন ভবণের চাহিদা দিয়েছেন বলে জানান অফিস কতৃপক্ষ।মধ্যনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃদেলুয়ার হোসাইন আমার সংবাদ’কে বলেন,আমজোড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবণটি ঝুঁকিপূর্ণ আমরা অবগত।২৮জুলাই সমন্বয় সভায় বিকল্প স্থানের জন্য দশলক্ষ টাকা আর্থিক বরাদ্দ চেয়েছি।শিশুদের পাঠদানের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা তৈরী হলেই খুব দ্রুতই ভবণটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা করবেন উপজেলা কমিটি।

