জামালপুর জেলা প্রতিনিধি :
জামালপুরের ৭টি উপজেলা থেকে ৪৮ হাজার মেট্টিক টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। সব ধান ও চাল সরাসরি কৃষকদের কাছে কেনা হবে।
জেলা খাদ্য অধিদপ্তর বলছে ৩০ জুনের মধ্যে ধান চাল কেনা শেষ হবে। তবে সময় বর্ধিত হলে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত ক্রয়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে। চলতি মওসুমে জামালপুর জেলা থেকে ধান ক্রয় করা হবে বারো হাজার ৮৭৪ মেট্টিক টন। চাল পয়ত্রিশ হাজার ৪৯ মেট্টিক টন।
জেলা খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলা থেকে ধান কেনা হবে তিন হাজার ৫৫০ মেট্টিক টন, সরিষাবাড়ি উপজেলা থেকে এক হাজার ৮১৬ মেট্টিক টন, মেলান্দহ উপজেলা থেকে ৮১২ মেট্টিক টন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা থেকে দুই হাজার ৯৪ মেট্টিক টন, মাদারগঞ্জ উপজলা থেকে এক হাজার ৬২৫ মেট্টিক টন, ইসলামপুর উপজেলা থেকে এক হাজার ৬৮০ মেট্টিক টন ও বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে এক হাজার ২৯৭ মেট্টিক টন। প্রতি মন ধানের মূল্য এক হাজার ৪৪০ টাকা।
জেলায় চাল কেনার বরাদ্ধ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৪৯ মেট্টিক টন। এর মধ্যে বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে চার কেনা হবে ৮২৫ মেট্টিক টন, মাদারগঞ্জ উপজেলা থেকে এক হাজার ৩০ মেট্টিক টন, মেলান্দহ উপজেলা থেকে সাত হাজার ৭৪৫ মেট্টিক টন, ইসলামপুর উপজেলা থেকে ছয় হাজার ৬৬১ মেট্টিক টন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা থেকে দুই হাজার ১৩৬ মেট্টিক টন, সরিষাবাড়ী উপজেলা থেকে ৮৫৪ মেট্টিক টন ও সদর উপজেলা থেকে কেনা হবে পনেরো হাজার ৭৯৮ মেট্টিক টন চাল। প্রতি কেজি চালের দাম ৪৯ টাকা। সব চাল মিল মালিকদের কাছে কেনা হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফিয়া সুলতানা বলেন, রোববার(২১ জুন) পর্যন্ত মোট ধান কেনা হয়েছে ৭৫ মেট্টিক টন। গুদামে ধারণ ক্ষমতা না থাকায় বর্তমানে ধান কেনা বন্ধ আছে। ধান কেনার সম্ভাব্য শেষ তারিখ ৩০ জুন। সময় বৃদ্ধি পেয়ে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত হতে পারে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আসাদুজ্জামান বলেন, ১৫ মে থেকে ধান ও চাল ক্রয় শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ধান ক্রয় করা হয়েছে এক হাজার ২০০ মেট্টিক টন। চাল ক্রয় হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার মেট্টিক টন। প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে ধান চাল ক্রয়ে বিঘœ ঘটছে।

