এম.শাহীন আল আমীন, জামালপুর:
জামালপুর হতে শেরপুর, শ্রীবরদী, বকশীগঞ্জ ও রৌমারী রেলপথ সম্প্রসারণে সম্ভাব্যতা যাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রেলপথ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অনুবিভাগের শাখা-২ এর উপসচিব শেখ শামছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, জামালপুর হতে শেরপুর হয়ে নাকুগাও স্থল বন্দর পর্যন্ত নতুন সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হয়। পরে ১ জানুয়ারি প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে শেরপুর-রৌমারি রেলওয়ে কানেকটিভিটির জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হিসেবে প্রকল্পটির নাম করণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিষয়টি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে আরএডিপিতে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়। আরএডিপি প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়।
নির্দেশনাপত্রে স্বাক্ষর করেন রেণপথ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অনুবিভাগের শাখা-২ এর উপসচিব শেখ শামছুর রহমান। ১ জানুয়ারি ৫৪.০০.০০০০.০০০.০১৯.১৪.০০১.২৫-০১ নং স্বারকের একটি পত্র মারফৎ তিনি নতুন নির্দেশনা জারি করেন। উপসচিব শেখ শামছুর রহমান উক্ত স্বারকীয় পত্রে স্বাক্ষর করেন ৪ জানুয়ারি-২০২৬।
উল্লেখ্য বিগত কয়েক বছর যাবৎ শেরপুর, শ্রীবরদী, বকশীগঞ্জ, রৌমারি ও রাজিবপুর উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষ রেলপথের জন্য দাবি ও আন্দোলন করে আসছিলেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে শেরপুর জেলার ৩টি উপজেলা, জামালপুর জেলার ২টি উপজেলা ও কুড়িগ্রাম জেলার ২টি উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। রেলপথ প্রতিষ্ঠা হলে নাকুগাও স্থল বন্দর, বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর ও রৌমারি স্থল বন্দরের মাধ্যমে এবং রেলখাতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। পাল্টে যাবে বৃহত্তর এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মানচিত্র।
এব্যাপারে রেলপথ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অনুবিভাগের শাখা-২ এর উপসচিব শেখ শামছুর রহমান জানান, প্রকল্পের বিষয়ে পরিপত্র জারি করে যাছাই বাছাই চলমান আছে। সম্বাভ্যতার সমীক্ষা শেষ হলে চুড়ান্তভাবে কাজ শুরু হবে।

