জয়পুরহাটে শত বছরের পুরোনো চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এতে অন্তত ১০/১২টি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং চলাচল ও কৃষিকাজে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টার দিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোয়াজ্জেমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত বিলাত আলীর তিন ছেলে সেজাউল, মিজানুর রহমান ওরফে ভবানী এবং বুলবুল হোসেন ওরফে বুলবুলি তাদের বাড়ির পেছনে অবস্থিত প্রায় শত বছরের পুরোনো চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেন। এতে গ্রামের সাধারণ মানুষসহ অন্তত ১০/১২টি পরিবারের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল বেল্লালসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, ওই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ ব্যবহার করে আসছেন। প্রায় তিন মাস ধরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান এবং এসিল্যান্ড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
ভুক্তভোগীরা বলেন, বর্তমানে মাঠে ধান কাটার মৌসুম চলছে। কিন্তু রাস্তা বন্ধ থাকায় তারা কৃষিপণ্য বাড়িতে আনতে পারছেন না। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এখন ধান কাটার মৌসুমে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী৷
এলাকাবাসীর দাবি আমাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা, মাঠ থেকে ধান বাড়িতে আনতেও পারছি না। প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন, দ্রুত রাস্তার বাঁশের বেড়া অপসারণ করে আমাদের স্বাভাবিক চলাচলের ব্যবস্থা করা হোক।
ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মানসিক চাপে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোজাউলের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

