স্টাফ রিপোর্টার:
রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ডাকবাংলা পাড়া নিবাসি পিতা কেপ্রু মারমা মাতা: নুম্রাসিং কনিষ্ঠ মেয়ে নাবালিকা খ্যাইনুউ মারমা( ১৫) সে কুন্ডসরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে অধ্যয়রনত ছাত্রী ছিল।
গত রাউজান এলাকায় থেকে ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল এক মারমা নাবালিকা ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়। এর পর সাথে সাথে ১ম রাউজান থানা ভিকটিম অভিভাবক সাধারণ জিডি করেন ১১৫৫ নং ২১ এপ্রিল । ২৪ এপ্রিল আদালতে গিয়ে নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রাম-০৩ আদালত সূত্রঃ নারী শিশু নির্যাতন মামলা নং ৩৫/২০২৬, রাউজান।
নির্যাতিতার অভিভাবক আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। যার নারী ও শিশু দমন আইন 2000 সংশোধনী 2003 (ধারা 7/30) হলেও প্রধান আসামিগণ সহ-অপরাধীরা বর্তমানে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠে। ভিকটিমের নামঃ খ্যাইনুউ মারমা (১৫) পিতাঃ কেপ্রু মারমা মাতাঃ নুম্রাসিং মারমা সাং ডাকবাংলা পাড়া চন্দ্রঘোনা থানা রাজস্থলী উপজেলা রাঙ্গামাটি জেলা। সরকারী নিয়মের কোন নারী ১৮ বছরের নিচে বিয়ে নামে অবৈধ বাল্য বিবাহ অসামাজিক কার্যকলাপে বিয়ে সংসার নামে এক সঙ্গে বসবাস করা মানে বড় সামাজিক আইনের লঙ্ঘন এটি দৃশ্যমান।
আসামীঃ 1. মোঃ আরজ তালুকদার পিতা মৃতঃ আব্দুল মফেজ তালুকদার বাসিন্দাঃ ডাকবাংলা মধ্য পাড়া, বাঙ্গালহালিয়া চন্দ্রঘোনা থানা রাজস্থলী উপজেলা রাঙ্গামাটি। সূত্রে জানা যায়, ১নং আসামি তার বিশাল দালান কোঠা তিন তলা বিশিষ্ট বাড়ি অবস্থিত উত্তর সুখবিলাস পাড়া পদুয়া ইউনিয়ন চট্রগ্রাম । আসামি নং ২ মোঃ আলাউদ্দিন পিতাঃ আলী আহম্মদ সাকিনঃ সুখবিলাস, ফলহারিয়া পাড়া পোস্টঃ পদুয়া থানাঃ রাঙ্গুনিয়া উপজেলাঃ রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।মূলহোতা আসামী সহ সহযোগিতায় আসামীরা ধরা ছোঁয়া বাইরে স্বাভাবিক প্রকাশ্যে ঘুরা ফেরা করছে, এলাকার স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকে জানান, আসামিরা এখনও বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে স্বাভাবিক ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যাচ্ছে।
১ম আসামি পূবে হতে ও একাধিক পাহাড়ি মেয়েরা জনগোষ্ঠীর সহ বাঙালি নারীদের সাথে বিয়ে নামে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। ১নং আসামি পূর্বের জন্ম স্থান সাং নাপিত পুকুরিয়া গ্রাম দক্ষিণ পদুয়া ইউনিয়ন রাঙ্গুনিয়া থানা/ উপজেলা জেলা : চট্টগ্রাম। স্থানীয় একাধিক জানান,নারী কেলেংকারী মাধ্যমের এলাকায় পরিস্থিতি অশান্তি সৃষ্টি করতে সে টাকা অর্থ প্রলোভনের নারীদের সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে অনুসন্ধানে রিপোর্টের। ভিকটিম মেয়ে অভিভাবকসহ চাচি ও গণমাধ্যমকে বলেন,সুস্থ বিচার প্রশাসনিক সার্বিক সহযোগিতা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা বাহিনী কর্তৃক অপরাধী নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল আদালতে অভিযোগ মামলা আসামি কে দ্রুত গ্রেপতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী করছে কৈশোরী ভিকটিম অভিভাবক ।

