জুলাই গণআন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে রায় পড়া শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় কার্যক্রম শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম ও ফারুক আহাম্মদ। আসামিপক্ষের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।
মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনুযায়ী, এই মামলায় ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৫৪ জন ইতোমধ্যেই সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ আগস্ট। প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক শেষ হয় ২৩ অক্টোবর।
প্রসিকিউশন অভিযোগ আনে তিন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো অন্তর্ভুক্ত। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা মোট ৮,৭৪৭, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২,০১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪,০০৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকা ২,৭২৪ পৃষ্ঠা।
ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক অপরাধের মামলায় গত ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে।

