দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার রাজনৈতিক কাঠামোকে সম্মান জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে সামরিক আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেবেন তার সরকার। সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে সম্পর্ক উন্নয়নে অনাগ্রহ প্রকাশের একদিন পর তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
১৫ আগস্ট জাতীয় মুক্তি দিবসের অনুষ্ঠানে লি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া কোনো ধরনের শত্রুতাপূর্ণ পদক্ষেপে যেতে চায় না। বরং সীমান্তে উত্তেজনা কমিয়ে আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উত্তর কোরিয়াও এই উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দেবে।
জাতীয় মুক্তি দিবসটি উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয় দেশেই একই দিনে পালিত হয়। এই দিনে ১৯৪৫ সালে জাপানি শাসন থেকে কোরিয়ান উপদ্বীপ মুক্তি পেয়েছিল।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং সম্প্রতি বলেছেন, সিউলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। এছাড়া সীমান্তে প্রচারণামূলক লাউডস্পিকার সরানোর খবরও তারা অস্বীকার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, গত জুনে উভয় পক্ষই সীমান্ত এলাকায় প্রচারণা সম্প্রচার বন্ধ করেছিল। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার সৈন্যদের লাউডস্পিকার ভাঙতে দেখা গেছে।

