ফরাসি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া ঐতিহাসিক অস্ত্রগুলোর মধ্যে জার্মান ও ফরাসি উভয় পক্ষের ব্যবহৃত গোলাবারুদ ছিল। এগুলোর মধ্যে মর্টার শেল ও ট্যাংকবিধ্বংসী গোলাও রয়েছে।
এদিকে, প্রায় ১০ দিন ধরে তাণ্ডব চালানোর পর জিরন্দ অঞ্চলের ভয়াবহ দাবানল এখন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সোমবার লে পোরজের বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে পুড়ে যাওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে নিজেদের সম্পদ খুঁজতে দেখা গেছে।
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু দাবানল মোকাবিলায় নিয়োজিত দমকলকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘নজিরবিহীন এই সংকটের মুখে ফ্রান্স দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।’ তিনি জানান, জিরন্দ অঞ্চলে আগুন মোকাবিলার কার্যক্রম এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং সরিয়ে নেওয়া মানুষ ধীরে ধীরে নিজেদের বাড়িতে ফিরছেন।
গত দুই সপ্তাহে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেন। দুই দেশ মিলিয়ে ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে। এটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটির সবচেয়ে বড় বন দাবানলগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।

