মো আলম, বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবনে এক মাস ক্ষুদ্রঋণ বন্ধের ঘোষণা থাকলেও মাঠে কিস্তি আদায়ে চাপ, ভোগান্তিতে ঋণগ্রহীতারা।
বান্দরবনে সম্প্রতি মীর হেলাল এক মাসের জন্য সকল এনজিওর ক্ষুদ্রঋণের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন এনজিও ও এনজিও কর্মীরা এখনই মাঠে নেমে কিস্তি আদায়ে চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ঋণগ্রহীতারা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মৌখিকভাবে এক মাস বন্ধের কথা বলা হলেও কোনো লিখিত নোটিশ দেয়া হয়নি। ফলে মাঠকর্মীরা প্রতিদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তির জন্য চাপ দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারীরা চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন।
এ বিষয়ে বান্দরবনের “ঢাকা ব্যাংক” এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা মির হেলালের মৌখিক কথার উপর ভিত্তি করে কার্যক্রম বন্ধ করবে না। তাদের দাবি, বন্ধ করতে হলে অফিসিয়ালি লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
স্থানীয়দের দাবি, যদি সত্যিই এক মাসের জন্য কিস্তি বন্ধ থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত সব এনজিওকে লিখিত নির্দেশনা দেয়া। তা না হলে এই বিভ্রান্তি আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত সমাধান ও স্বচ্ছ নির্দেশনার দাবি জানিয়েছেন।

