সত্যজিৎ দাস, মৌলভীবাজার:
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ,কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে জুন ২০২৬ মাসের কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ থানা ও কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নিশাত বিনতে রাইহানের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম।
সভায় জেলার বিভিন্ন থানা,ফাঁড়ি ও অন্যান্য ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ-সংক্রান্ত বিষয়,কর্মপরিবেশের উন্নয়ন,বিভিন্ন সমস্যা ও তার সম্ভাব্য সমাধান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের অভিন্ন মানদণ্ড অনুযায়ী জুন ২০২৬ মাসের কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এতে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম। শ্রেষ্ঠ উপপরিদর্শক (এসআই) নির্বাচিত হন একই থানার এসআই ওবায়দুল্লাহ। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার নির্বাচিত হন সদর ট্রাফিক বিভাগের টিএসআই মো. আব্দুল মোতালিব এবং শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হন বড়লেখা থানার এএসআই আতিকুল ইসলাম।
এছাড়া আলোচিত একটি গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন এবং তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের সাফল্যের জন্য সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকারকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখায় সদর মডেল থানার এসআই শিপু কুমার দাস বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি আসামি গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য এএসআই শফিকুল ইসলাম ও এএসআই সাইদুর রহমানকেও পুরস্কৃত করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন;অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসিফ মহিউদ্দীন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা, পিপিএম, সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল হক, জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, জেলার সব থানার অফিসার ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা।

