সিলেট প্রতিনিধি:
সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানাধীন নয়াবাজার সোনালী আবাসিক এলাকায় পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে জালালাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মো. শহীদ আহমদ (৪৩)। অভিযোগে হামলার পাশাপাশি ছিনতাই, গুরুতর আহত করা এবং পরবর্তীতে আসামিদের পক্ষ থেকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার দাবিও করা হয়েছে।
অভিযোগে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিরা হলেন মিছবা (৩২), পিতা: ওয়াছির উল্লাহ, তানভীর (১৯), পিতা: সাদির মিয়া, রাকীব (১৯), পিতা: রাজ্জাক, সামির (১৯), পিতা: সাদির মিয়া এবং সানুর (৪০), পিতা: অজ্ঞাত। তাদের সকলের বাড়ি জালালাবাদ থানাধীন নয়াবাজার এলাকায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে নয়াবাজার সোনালী আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়অ এতে অভিযোগকারীর বড় ছেলে, যিনি তিনি একজন বিদেশ যাত্রী তাহার উপর দেশীয় অস্ত্র ছুরি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে আহত করা হয়েছে । এবং ছোট ছেলেকেও রাস্তায় মাটিতে ফেলে কিল লাথি ঘুসি ও রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। ঠিক তখনি ছেলেদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে অভিযোগকারী মো. শহীদ আহমদ এবং তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার রিনাও হামলার শিকার হয়ে আহত হন। যাহা ওই এলাকার একটি সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ডকুমেন্টারি হয়ে আছে বলে দেখা গেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়,উক্ত হামলাকারীরা অভিযোগকারী মা-বাবার সামনে জনসম্মুখে তাদের সন্তানদের মারতে মারতে রাস্তায় ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং কিল-ঘুষি-লাথি মেরে ও লোহার রড দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে আহত করে। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায় তায় আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

