আতিক মুজাহিদ বলেন, “যেভাবে আওয়ামী লীগকে ভারতে পাঠানো হয়েছে, একইভাবে ভারত থেকে আসা মাদকও পুশব্যাক করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, দেশে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্যের স্থান হওয়া উচিত নয় এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে।
তিনি নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের মাদকবিরোধী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের গণআন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত। পাশাপাশি প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা সম্পৃক্ত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তথ্য সংগ্রহেরও আহ্বান জানান।
এর আগে বালারহাট বাজার থেকে একটি মাদকবিরোধী গণমিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সীমান্তসংলগ্ন বালারহাট-ফুলবাড়ী সড়কে মানববন্ধনে মিলিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন মাদক প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা, নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান মজি, স্থানীয় জামায়াত নেতা সামছুল হুদা বাবুল মাস্টার, জেলা ও উপজেলা এনসিপির নেতারা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।
মুসাব্বের আলী মুসা বলেন, মাদকবিরোধী এই উদ্যোগে স্থানীয় মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তার দাবি, কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর ইউনিয়নে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের প্রবণতা কমেছে এবং ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে গেলে মাদকের বিস্তার আরও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

