তীব্র গরমে ঘামাচি, চুলকানি ও ত্বকে লালচে র্যাশের সমস্যা অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। এ সময় অনেকেই প্রাকৃতিক উপায়ে স্বস্তি পেতে নিমপাতার ওপর ভরসা করেন। নিমপাতায় এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে যা ত্বক পরিষ্কার রাখতে এবং হালকা চুলকানি বা জ্বালাপোড়া কিছুটা কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়।
ব্যবহারের জন্য কয়েক মুঠো পরিষ্কার নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে সেই পানি দিয়ে গোসল করা বা আক্রান্ত স্থান ধুয়ে নিতে পারেন। কেউ কেউ নিমপাতা বেটে পেস্টও ব্যবহার করেন। তবে ত্বক সেনসীটিভ হলে আগে অল্প জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসকদের মতে, শুধু নিমপাতার ওপর নির্ভর না করে ঘামাচি প্রতিরোধে শরীর পরিষ্কার রাখা, দিনে একাধিকবার গোসল করা, ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরা এবং অতিরিক্ত ঘাম হলে দ্রুত শুকনো কাপড় বদলে নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুবিধা হয়।
তবে ঘামাচির সঙ্গে যদি তীব্র ব্যথা, পুঁজ, জ্বর, ত্বক ফুলে যাওয়া বা সমস্যা কয়েক দিনেও না কমে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, প্রাকৃতিক উপায় কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘস্থায়ী বা গুরুতর ত্বকের সমস্যায় সঠিক চিকিৎসাই সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান।

