ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনের দিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে মিলে গেলেও এর পেছনে ওয়াশিংটনের প্রতি কোনো রাজনৈতিক বার্তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো মোহাম্মদ ইসলামি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দাফনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে মহররমের প্রথম ১০ দিনের শোকপর্ব শেষ হওয়ার পর। শিয়া মুসলিমদের কাছে এ সময়টি তৃতীয় ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাত স্মরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মোহাম্মদ ইসলামির ভাষ্য, দাফনের তারিখ নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের ৪ জুলাইয়ের স্বাধীনতা দিবস কোনো বিবেচ্য বিষয় ছিল না। বরং ধর্মীয় তাৎপর্যকে গুরুত্ব দিয়েই এ সময় নির্বাচন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরান এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা নিজেদের সমর্থকদের কাছে একটি প্রতীকী বার্তা পৌঁছে দিতে চায়। তাদের দৃষ্টিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতকে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

