প্রায় এক দশক ধরে চলা সংস্কারকাজ শেষ হলেও যুক্তরাজ্যের রাজা চার্লস তৃতীয় বাকিংহাম প্যালেসকে আর তাঁর স্থায়ী সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করবেন না। বৃহস্পতিবার রাজপরিবারের কর্মকর্তারা এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজা চার্লস আগের মতোই লন্ডনের ক্লারেন্স হাউসেই বসবাস করবেন। তবে বাকিংহাম প্যালেস রাজপরিবারের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, বিদেশি অতিথিদের আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং বিভিন্ন রাজকীয় কর্মসূচির কেন্দ্র হিসেবেই ব্যবহৃত হবে।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজাদের প্রধান বাসভবন হিসেবে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে চলে আসা বাকিংহাম প্যালেসের ঐতিহ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। যদিও প্রয়োজন হলে রাজা চার্লসের ব্যবহারের জন্য প্রাসাদে একটি ব্যক্তিগত কক্ষ সংরক্ষিত থাকবে।
এদিকে রাজপরিবার প্রথমবারের মতো রাজা চার্লসের ব্যক্তিগত কর পরিশোধের তথ্যও প্রকাশ করেছে। জানানো হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি ১২ দশমিক ৯ মিলিয়ন পাউন্ড, অর্থাৎ প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ কর দিয়েছেন। রাজপরিবারের মতে, আর্থিক বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের পর থেকে বাকিংহাম প্যালেসে স্থায়ীভাবে রাতযাপন করেননি রাজা চার্লস কিংবা প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ভবিষ্যতে সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রাসাদে প্রবেশের সুযোগও আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

