সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দমদমা সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় এক বাংলাদেশি বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতের অভ্যন্তরে একটি পাহাড়ি ছড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার হওয়ার পর স্বজনরা তা দেশে নিয়ে আসেন।
মৃত ব্যক্তি মিক কন্দ দানী (৬০)। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তুরুং গ্রামের কুলিবস্তি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৪ জুন) সকালে কাঠ ও কাঁঠাল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যান তিনি। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সীমান্তের ১২৬০ নম্বর পিলারসংলগ্ন পাহাড়ি তুরুং ছড়ার পানিতে পাথরের ফাঁকে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পাহাড়ি এলাকায় পড়ে গিয়ে কিংবা পাথরে আঘাত লেগে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় কোনো গুলিবর্ষণ বা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তি প্রায়ই সীমান্তের ওপারে গিয়ে বাগানে কাজ করতেন এবং কাঠ সংগ্রহ করতেন।
বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মো. সফিকুল ইসলাম খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসের কারণে নিহত ব্যক্তি নিয়মিত ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং বিভিন্ন সময় বনজ পণ্য সংগ্রহ করতেন।

