লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষন এবং উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারতের গজলডোবা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে দেয়ায় তিস্তার পানি বিপদসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার চার উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি বাড়তে শুরু করায় নদী ভাঙন শুরুহয়েছে এবং বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার ২৩ জুন বিকেল ৬ টার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তবে দুপুর ৩টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
পাউবো সুত্র জানিয়েছে, আগামী ২/৩ দিন এই অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে।এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৮-১০টি চর, পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, আদিতমারী উপজেলার চর গোবর্ধন ও মহিষখোঁচা এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। চরাঞ্চলের নিচু এলাকার ফসলিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে।
ত্রাণ নয়, তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু এবং ভারতের সাথে তিস্তার ন্যায্য পানি চুক্তি চায় লালমনিরহাটের তিস্তা তীরবর্তী এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।

