অভিযোগ অনুযায়ী,শ্রেণিকক্ষে রান্নাবান্নার সরঞ্জাম,খাট-বিছানা এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন সামগ্রী রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি,মাঝে মধ্যে সেখানে লোকজনের অবস্থানও দেখা যায়। একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ এভাবে ব্যবহারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও শিক্ষা সচেতন মহল।
স্থানীয়দের ভাষ্য,পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশের জন্য বিদ্যালয়টির সুনাম থাকলেও এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুনমুন বণিক অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন,“যা হওয়ার হয়ে গেছে। দুই-একদিনের মধ্যে সব সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলা হবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাভাবিক করা হবে।”
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুর রহিম বাবর জানান,সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন,“শ্রেণিকক্ষ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের মতো ঘটনায় সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

