সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে প্রাথমিকভাবে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা এবং পেনশনারদের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুরুতে মূল বেতনের একটি অংশ বৃদ্ধি করে ধাপে ধাপে পুরো কাঠামো বাস্তবায়ন করা হতে পারে।
সূত্রগুলো বলছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বর্ধিত বেতনের প্রায় ৫০ শতাংশ, পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে ভাতা সমন্বয় করার সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের পর এ ব্যয় আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে গ্রেড অনুযায়ী ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন গ্রেডে বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপে ৭৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
সরকার বলছে, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সহজ করা সম্ভব হবে।

