সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ মো সবুজ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাব-৯। গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাতে উপজেলার চিনাকান্দি বিজিবি ক্যাম্পের কাছে লক্ষীরপাড় এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
তবে উদ্ধার করা মদের মালিকানা নিয়ে আটক ব্যক্তির দেওয়া পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। র্যাব সূত্রে জানা গেছে যে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে ৫১ বছর বয়সী সবুজ মিয়াকে ধাওয়া করে আটক করা হয়। তার কাছে থাকা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৬ বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। র্যাবের ভাষ্যমতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সবুজ মিয়া মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ঘটনার বিষয়ে আটক সবুজ মিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন।
তার দাবি তিনি মাদক ব্যবসায়ী নন এবং ওই মদের মালিক তিনি নন। ঘটনার সময় তিনি নিজের বাড়ির সামনে পুকুরপাড়ে বসে ছিলেন এবং চান্দের বাজার এলাকার রুবেল নামে এক ব্যক্তি সেখানে অন্য একজনের কাছে মদের চালান বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। তার অভিযোগ যে তিনি নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও তাকে আটক করা হয়েছে। তিনি মাঝে মধ্যে মাদক সেবন করেন বলে স্বীকার করলেও মাদক কেনাবেচার সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন। র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানিয়েছেন যে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে জব্দকৃত মালামালসহ বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাবের এই কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

