শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন চলমান প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রোববার (১৫ মার্চ) সংসদে সরকারি দলের সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা খাতকে শক্তিশালী করতে মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মন্ত্রী বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেন:
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (ডিইপিডি-৪): জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত চলমান।
চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়): জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত বাস্তবায়িত।
ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প: জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত।
কক্সবাজার, বান্দরবান ও নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প: জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ১৫০টি উপজেলায় জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়ন।
এছাড়া, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে ৫৮টি জেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক-বৃত্তিমূলক স্তর)’কোর্স চালানো হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের জন্য ৬৪ জেলার প্রতিটিতে উপজেলা পর্যায়ে ‘স্কুলবহির্ভূত শিশুদের বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম (এএলও)’ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একনেকের অনুমোদন পেয়েছে এবং জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

