২০২৪ সালের মার্চ মাসের একটি সকাল। ঢাকার রমনা থানার বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম ব্যস্ত ছিলেন আদালতের দিকে যাত্রা করতে। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির। আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা দায়েরের দিন—যার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বাদী অভিযোগ করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানিকর বক্তব্যের মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। ঘটনা ঘটেছে দীর্ঘদিন ধরেই।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীকে ভোটে মির্জা আব্বাসের কাছে পরাজিত হন। এরপর থেকে তার মিথ্যা এবং মানহানিকর বক্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সম্প্রতি, ৫ মার্চ, ফেসবুকে প্রকাশিত একটি পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মির্জা আব্বাসকে বাংলাদেশের “নাম্বার ওয়ান গডফাদার” আখ্যা দেন—যা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে মারাত্মক আঘাত।
বাদী অভিযোগ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এসব বক্তব্যের কারণে মির্জা আব্বাসের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে, সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া তিনি জানান, দেশের কোটি কোটি মানুষ এই বক্তব্য দেখেছেন এবং এটি পুরো সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
রমনা থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলা গ্রহণ করা হয়। এখন দেখার বিষয়, বিচার কি দেবে ন্যায়নিষ্ঠা, নাকি রাজনৈতিক বিতর্ক আরও দীর্ঘায়িত হবে।

