শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে সর্বমিত্র চাকমা লিখেছেন, “একাত্তরকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি করার চেষ্টা ইতিহাসকে অস্বীকার করা। মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে নতুন কোনো রাজনৈতিক বয়ান দাঁড় করানো যায় না।”
ইতিহাসের নির্মোহ মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর সমালোচনা করা যেতে পারে, বাকশাল নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে এবং রক্ষীবাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হওয়া উচিত। তবে একই সঙ্গে ৭ মার্চের ভাষণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্বীকার করতে হবে।
তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ শুধু একজন নেতার বক্তব্য ছিল না; এটি ছিল তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জড়ো হওয়া লক্ষ মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ, বঞ্চনা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার সম্মিলিত উচ্চারণ।
সর্বমিত্র চাকমা মনে করেন, একাত্তরের প্রতিটি ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয়। সবশেষে তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে লেখেন, “বাকশাল নিপাত যাক, একাত্তর দালালের হাত থেকে মুক্তি পাক। রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়, একাত্তর হোক গণমানুষের।”

