ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের প্রভাব এখন রাজধানীর রাস্তায় দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধকালীন আমদানি নির্ভর খাতকে স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভোক্তারা।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল থেকেই ঢাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক গ্রাহক ঘন্টাখানেক ধরে অপেক্ষার পর তেল পেতে সক্ষম হয়েছেন। কিছু পাম্পে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ নেই, আবার অনেক জায়গায় একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে ডিজেলের মজুদ বর্তমানে ৯–১৪ দিনের, অকটেনের ১৫–২৫ দিনের, পেট্রোলের ১৬ দিনের, এবং ফার্নেস অয়েলের ৬০–৭৬ দিনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি বরাদ্দ ১০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে।

