যেহেতু স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারদের মধ্যে একজন নিখোঁজ এবং অপরজন কারাবন্দি অবস্থায় আছেন, এছাড়া তারা পদত্যাগও করেছেন, তাই নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব তাদের হাতে নেই। এ বিষয়টি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করেন।
তিনি জানান, এই পরিস্থিতিতে দুটি বিকল্প রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পাঠ করাতে পারেন, যেমন প্রধান বিচারপতি। অন্যথায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথগ্রহণের দায়িত্ব নিতে পারেন। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠানোর ক্ষেত্রে তিন দিনের অপেক্ষা করতে হবে। সরকার দ্রুত শপথগ্রহণ সম্পন্ন করতে চায়।
আইন উপদেষ্টা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব মূলত স্পিকারের। স্পিকার অনুপস্থিত হলে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব থাকে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন নিখোঁজ এবং একজন কারাবন্দি থাকায়, শপথগ্রহণ তাদের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তি নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন। তবে যদি গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ সম্পন্ন না হয়, তাহলে ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ পড়ানোর দায়িত্ব নিতে হবে।

