অধ্যাদেশ সংশোধন ও বাতিল ইস্যুতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য উঠেছে। সরকারি দলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেছেন, বিশেষ কমিটিতে সম্মতি দিলেও পরে জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে বিরোধিতা করছে।
তিনি বলেন, সংসদীয় বিশেষ কমিটির আলোচনায় সকল পক্ষের মতামত নিয়ে পরবর্তীতে বিল আনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু এখন বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে দাবি তার।
অন্যদিকে বিরোধী দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, বিশেষ কমিটিতেই জামায়াত অনেক অধ্যাদেশের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি সংসদে বিল আকারে পাস হয়েছে এবং কিছু সংশোধন করা হয়েছে। তবে কিছু অধ্যাদেশ এখনো উত্থাপন হয়নি।
বিরোধী দলের অভিযোগ, সংশোধনের ফলে কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কিত সুযোগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত ও কিছু প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে। অন্যদিকে সরকারি পক্ষ বলছে, ত্রুটিপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংশোধিতভাবে পাস করা হবে।
বিচার বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত কিছু অধ্যাদেশ বাতিল নিয়েও বিরোধী দল আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হতে পারে।
তবে উভয় পক্ষই দাবি করছে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সংসদে কার্যক্রম ও আলোচনায় সৌহার্দ্য বজায় রয়েছে।

