দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যের ভুল সংশোধন ও নতুন তথ্য হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ৫ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক নির্দেশনায় জানানো হয়, আগামী ৫ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যে নির্ধারিত সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজস্ব খাতভুক্ত সকল ধরনের বৃত্তির অর্থ ‘জিটুপি’ (G2P) পদ্ধতিতে সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, অনেক মাদ্রাসা এখনো বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করেনি। কিছু প্রতিষ্ঠানের পাঠানো তথ্যে ব্যাংক হিসাব নম্বর, শাখার নাম ও পরীক্ষার সালসহ বিভিন্ন ভুল পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য ভুল থাকায় ইএফটি ‘বাউন্সব্যাক’ হয়েছে। এসব কারিগরি ত্রুটি সংশোধনের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসিলভুক্ত ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে ১৩ থেকে ১৭ ডিজিটের ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। শিক্ষার্থীর নাম ও ব্যাংক হিসাবের নাম অভিন্ন হতে হবে। সঠিক রাউটিং নম্বর, পরীক্ষার আইডি ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যেসব শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বৃত্তি পেয়ে বর্তমানে স্কুল বা কলেজে অধ্যয়ন করছেন, তারা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-এর নির্ধারিত লিংকে আবেদন করবেন। আর যারা স্কুল-কলেজ থেকে বৃত্তি পেয়ে বর্তমানে মাদ্রাসায় পড়ছেন, তারা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত লিংকে (dme.finance.gov.bd) আবেদন করবেন।

