Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

সংসদে এমপির নদীভাঙনে নিঃশ্বদের ক্ষতিপূরণের বদলে বাঁধের দাবী: কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
৩:১৯ pm ২৭, জুন ২০২৬
in Semi Lead News, মতামত
A A
0

মুহাম্মদ আল্-হেলাল

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার এক বৃদ্ধা বলছিলেন পদ্মা সেতু প্রকল্পে যাদের জমি বাধছে, তারা তো লাখ লাখ টাকা পাচ্ছে। আমার এক আত্মীয় ২২ লাখ টাকা পেয়েছে বাপের বাড়ি থেকে আরো প্রায় ৫০ লাখ টাকা পাবে।

অন্যদিকে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার কানুকে তার বসতবাড়ি চারবার মধুমতি নদীতে হারিয়ে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে সরকারি রাস্তায় থাকার জায়গা খুঁজতে হচ্ছে। উপজেলার শিয়রবর গ্রামের আদি বসতবাড়ি মধুমতি নদীতে হারিয়ে গ্রামের সরকারি রাস্তা, রসুলপুর গ্রামের সরকারি রাস্তা, বাতাসীর সরকারি ওয়াপদা রাস্তা হয়ে বর্তমান পালপাড়ায় কোনোরকম একটু খুপড়িঘরে ঠাঁই মিলেছে। বেঁচে থাকার তাগিদে বার বার তাকে পেশা পরিবর্তন করতে হচ্ছে।

একসময় জুতা, সেন্ডেল, সিলভারের হাঁড়ি-পাতিল, বদনা, বালতি ইত্যাদি মেরামত করতেন। জুতা-সেন্ডেল এখন আর কেউ মেরামত করে না, সিলভারের হাঁড়ি-পাতিলের জায়গায় স্থান হয়েছে স্টিলের রাইস, কারি ডিশ আর সিলভারের বদনা, বালতির স্থান দখল করেছে প্লাস্টিক, ফলে সেগুলো ভেঙে গেলে ফেলে দেয় মানুষ, আর মেরামত না করে নতুন একটি ক্রয় করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।

আর এই প্লাস্টিকের ভাঙাচোরা জিনিসপত্র খাল-বিল, নদী-নালা, পুকুর, কৃষিজমিতে সয়লাব করে পরিবেশদূষণ করছে এবং কৃষি ফসল উৎপাদন, মৎস চাষ, বৃক্ষরোপণ ইত্যাদি ব্যাহত হচ্ছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে জাতিকে।

কানুর কাজ বদল করে চুড়ি, সুতা, লিপস্টিক, আয়না, চিরুনি, ঘুঘরি ইত্যাদি বিক্রয় করা শুরু করতে হয়েছিল। এগুলো এখন আর তার কাছ থেকে মানুষ কেনার জন্য অপেক্ষা করে না। যার এগুলোর প্রয়োজন সে বাজার থেকে কিনে আনে।

বয়সের ভারে ন্যুজ প্রায়, তবুও কানুকে প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয় ঘরে ফিরে যাওয়ার সময় চাল কিনে নেওয়ার জন্য। তবে বেচাবিক্রি আগের চেয়ে আরো কমেছে। তাই বলে তো ঘরে বসে থাকলে চলে না, গ্রামে বের হতেই হয় অসুখ-বিসুখ, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় যাই হোক না কেন।

এসকল পণ্য এখন আর তার কাছে পর্যাপ্ত না, তবে দু-চারখান কম দামি আয়না, চামচ, সেফটিপিন, সুঁচ ইত্যাদি পাওয়া যায়। যা তার মতো গরিব মানুষই তার কাছ থেকে কিনে থাকে। এ তো মধুমতি নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো এক কানুর জীবনের খণ্ডিত কাহিনী। নদীমাতৃক বাংলাদেশে এরকম হাজার হাজার কানুর গল্প রয়েছে আমাদের অজানা।

বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত পদ্মা সেতু ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। বর্তমানে এ সেতুর মাধ্যমে দেশের উত্তর বঙ্গের সাথে দক্ষিণবঙ্গের তো বটেই, ভারতের কলকাতা থেকে আগরতলা কোনো ধরনের যাত্রাবিরতি ছাড়া সরাসরি সড়কপথে এবং রেলপথে যাওয়া সম্ভব। এটি নিঃসন্দেহে প্রতিবেশী দেশ দুটির জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে অন্য কোন দেশ কে এধরনের করিডোর দেওয়ার রাজনৈতিক ঝুঁকিও থাকে।

আবহমানকাল ধরে বিশ্বে ব্যবসা-বাণিজ্য, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া-আসা ইত্যাদির জন্য আকাশপথ, সড়কপথ, রেলপথ এবং পানিপথ ব্যবহার হয়ে আসছে। এর মধ্যে প্রথমটি সবচেয়ে নতুন, ব্যয়বহুল এবং কমসময়ের পথ। শেষক্তটি সবচেয়ে প্রাচীন এবং সাশ্রয়ী পথ, যদিও সময় একটু বেশি লাগে। তবে বিশ্বের বড় বড় এবং সিংহভাগ বাণিজ্য এ পানিপথেই সম্পন্ন হয়ে থাকে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশ বহির্বিশ্বের সাথে পানিপথে ব্যবসা পরিচালনা করলেও অভ্যন্তরীণ পানিপথের খনন এবং সরকারের পানিপথের প্রতি গুরুত্বারোপের অভাবে অভ্যন্তরীণ ব্যবসা-বাণিজ্য সড়কপথে করতে হচ্ছে। যার ফলে ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় খরচ বৃদ্ধি পেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলো আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হয়ে দেশে প্রায় আন্দোলন, বিক্ষোভসহ নানা ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়।

দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতো খনন করা হয়না। অন্যদিকে খালগুলো বন্ধ করে রাস্তা তৈরি করে পানিপথ সংকীর্ণ করে পানির ধারন ক্ষমতা একেবারে ক্ষীণ করা হয়েছে। যার ফলে প্রত্যেক বছর বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশের উজানের দেশ ভারত অন্যায়ভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে তৈরি করা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণের বাঁধ ছাড়লেই আমাদের বন্যার পানিতে হাবুডুবু খেতে হয়। ফলে নদীভাঙন তীব্রতর হয় এবং কানুদের মতো অসংখ্য ঠিকানাহীন মানুষ বা পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ২০২৪ সালেও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ৭২ ঘণ্টা ধরে ভারী ও অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন নদীর পানির স্তর ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে রাজ্যের অনেক জায়গায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে গোমতী ও ঊনকোটি জেলা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ত্রিপুরার বাংলাদেশ ঘেঁষা খোয়াই জেলার প্রশাসন সর্বোচ্চ ‘লাল সতর্কতা’ জারি করে।

খোয়াই নদের পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গেছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৩১ বছর পর মধ্য ত্রিপুরার ধলাই জেলার বিশাল জলাধার ডুম্বুরের (৪১ বর্গকিলোমিটার) ‘স্ল্যাপ গেট’-এর তিনটির মধ্যে একটি খুলে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে বাংলাদেশের ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষীপুর, হবিগঞ্জের তীব্র বন্যা হয়েছে। নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় এই গেট খুলে দেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। (বাংলা ট্রিবিউন; রক্তিম দাশ, কলকাতা, ২২ আগস্ট ২০২৪)

সর্বশেষ বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মাঝে মরণফাঁদ ফারাক্কা বাঁধের ১০৯টি গেট খুলে দিয়েছে ভারত। প্রবল বৃষ্টির কারণে দেশটির বিহার ও ঝাড়খন্ড রাজ্যে বন্যা ও পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বাঁধ খুলে দেয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুর্শিদাবাদসহ বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা হয়।(আগস্ট ২৭, ২০২৪; দৈনিক নয়া দিগন্ত)

নদী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি, প্রাকৃতিকভাবে প্রবাহিত হবে এটিই স্বাভাবিক কিন্তু ভারত আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে উজানে বাঁধ সৃষ্টি করেছে এটি যেমন ভারতের চরম অন্যায় তেমন আমাদেরও রয়েছে অভ্যন্তরীণ পানিপথ খনন না করা এবং খাল বন্ধ করে রাস্তা তৈরি করা অসচেতনতার পরিচয়।

আমাদের দেশের শহরগুলোতে খাল দখল, জলাধার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে একটু বর্ষা হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আশার আলো কিছুটা দেখা যাচ্ছে বর্তমান সরকার খাল পূনঃ খনন কর্মসূচি গ্রহণ করার কারণে তবে জনগণ কতটা সুফল পায় সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

পদ্মাসেতুসেতুকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ) এক্সপ্রেসওয়ে। এ সড়কপথটি বেনাপোল সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছানোর কথা। পদ্মাসেতু দিয়ে রেলযোগাযোগ ইতিমধ্যেই বেনাপোল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এ পথের জন্য সরকার যে সকল জমি অধিগ্রহণ করেছে, সেসকল জমির মালিকগণ স্থানীয় বাজারমূল্য থেকে কয়েকগুণ বেশি ক্ষতিপূরণ পেয়ে মহাখুশি। কিন্তু পদ্মা সেতু যে জমিতে দাঁড়িয়ে আছে, সেই জমির মালিকগণ ক্ষতিপূরণ পাওয়া তো দূরের কথা, সর্বস্ব হারিয়ে কোথায় তাদের ঠাঁই হয়েছে, হয়তো খোদ সরকারের কাছেও নেই সেই তথ্য।

সরকারের এ লোভনীয় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য হিড়িক পড়ে উক্ত সড়কপথ ও রেলপথ হবে এমন জায়গা বেশি টাকা খরচ করেও ক্রয় করার জন্য। এ লোভনীয় ক্ষতিপূরণ শুধু পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক বা রেলপথের জন্য নয়, সারা দেশেই সরকার যেকোনো প্রকল্পের জন্যই জমি অধিগ্রহণ করলেই জমির মালিকগণ এভাবে ক্ষতিপূরণ পেয়ে থাকেন।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, প্রাকৃতিক এবং অতি প্রাচীন ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সাশ্রয়ী, যোগাযোগের জন্য জনবান্ধব পানিপথ সরকারের রক্ষণাবেক্ষণ এবং গুরুত্বের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে অর্থনীতির ওপর, আর মাশুল দিতে হচ্ছে জাতিকে। যাদের জমি এ পানিপথের মধ্যে, তাদের সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণ না পেয়ে বসতবাড়ি, কৃষিজমি বাগান ইত্যাদি নদীতে হারিয়ে নিঃস্ব ও ঠিকানাহীন হয়ে দিনাতিপাত করতে হয়। অথচ নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিলে ঠিকানা হারানো কানুদের মতো যারা আছেন তারা আবার নতুন একটি ঠিকানা তৈরি করতে পারতেন।

একই রাষ্ট্র সড়কপথ, রেলপথ বা অন্য প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করলে জমির মালিক স্থানীয় বাজারমূল্য থেকে অধিক ক্ষতিপূরণ পায়, কিন্তু পানিপথের বা নদীর মধ্যের জমির মালিকগণ ক্ষতিপূরণ পাবে না, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র নির্মাণে এটি একটি অন্তরায়। এই ধরনের বৈষম্য দীর্ঘদিন যাবত একটি রাষ্ট্রে চলতে পারে না। উল্লেখ্য রাষ্ট্র কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি জনকল্যাণমূলক সেবা প্রতিষ্ঠান। সুতরাং রাষ্ট্র নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিলে রাষ্ট্রের বানিজ্যিকভাবে কোনো ক্ষতি হবে না। কেননা রাষ্ট্রের কাজ হলো জনকল্যাণে সর্বদা সেবা প্রদান।

নদীভাঙনের ফলে জমির মালিকগণ একদিকে যেমন নিঃস্ব হয়ে যায়; অন্যদিকে কোনোদিন সেই জমি চর জেগে উঠলে জমির মালিকগণকে জমি দখল করতে কাইজে(মারামারি) করে জীবন উৎসর্গ করতে হয়। আবার নদীভাঙনের কবল থেকে কোনো বিশেষ এলাকা বা প্রতিষ্ঠান নিরাপদ করার জন্য যদি নদীর পাড় স্থায়ীভাবে বেঁধে দেওয়া হয় বা নদী তার স্থান পরিবর্তন না করে তাহলে উক্ত জমির মালিকগণের হৃত জমি ফেরত পাওয়ার আর কোনো সম্ভাবনাই থাকে না। এমনকি সরকার নদীর মধ্যের জমি জনগণের নিকট বিভিন্ন উদ্দেশ্যে অর্থের বিনিময় ইজারা দিয়ে থাকে। যদিও সরকার জমির মালিকদের নিকট থেকে এই জমি কোনো ক্ষতিপূরণ দিয়ে ক্রয় করে না।

নদীপাড়ে স্থায়ীবাঁধ প্রকল্প দেশের অনেক জায়গায় গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া বাজার। মধুমতি নদীতে ভেঙে না যায়, সেজন্য এখানে স্থায়ীভাবে নদীপাড়ে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে যারা নদীর গর্ভে বসতবাড়ি, জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে তাদের কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ না দিয়ে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার শিয়রবর বাজারকে একই নদীর ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার জন্য নদীপাড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের সাথে বত্রিশ কোটি নব্বই লক্ষ বাহাত্তর হাজার দুইশ তেতাল্লিশ টাকা ত্রিশ পয়শা ব্যয়ে দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদন পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। নদীগর্ভে বসতবাড়ি, জমিজমা হারানো লোকজনদের কোন ক্ষতিপূরণ না দিয়ে তাদের জমিতে বিনোদন পার্ক তৈরি করা ন্যায্য নয়।

সম্প্রতি নড়াইল ০২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চুকে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ এবং ভয়েস কলের মাধ্যমে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ে তার সহযোগীতা চেয়েছিলাম। ফেসবুকে শেয়ার করা ভিডিওর মাধ্যমে জানলাম তিনি জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তার বক্তব্যে নদী ভাঙনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের জন্য নয় বরং যারা এখনও ক্ষতিগ্রস্ত হননি তাদের জন্য বাঁধ সৃষ্টির কথা বলেছেন। যারা নদী ভাঙনে ইতিমধ্যেই নিঃশ্ব হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণের জন্য কোন কথা বলেছেন এমনটি আমি শুনিনি। এই বাঁধ সৃষ্টি হলে সে জায়গাটিও বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে। বিভিন্ন এলাকার মানুষ সেখানে বনভোজন, আনন্দ ভ্রমণ ইত্যাদি করতে আসবে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে সেখানে বাঁধ সৃষ্টির মাধ্যমে বিনোদন কেন্দ্র তৈরি করা যেন সর্বস্ব হারানোদের কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেওয়া। অথচ নির্বাচনের আগে জনাব আতাউর রহমান বলেছিলেন আমি নির্বাচিত হলে শিয়রবর হাট থেকে কিনে আনা কিষানের মতো আপনাদের কথা শুনতে বাধ্য।

ভুক্তভোগীদের দাবি এত টাকা খরচ করে নদীপাড়ে বিনোদন পার্ক না করে আমরা যারা নদীতে সর্বস্ব হারিয়েছি আমাদের কিছু ক্ষতিপূরণ দিলে আমরা হয়তো একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতাম। আর নদী বিশেষজ্ঞদের মত নদীমাতৃক বাংলাদেশে সর্বত্র এত টাকা খরচ করে বাঁধ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে অল্প পরিমাণ টাকা খরচে নদী বা খাল খনন করলে নদী ফিরে পাবে তার নাব্যতা, আবার আমরা ফিরে পাব সুজলা-সুফলা, শষ্য-শ্যামল এবং মাছে-ভাতের দেশ। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি হবে আর বন্যার সময় সারাদেশ এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকেও রেহাই পাবে।

মুহাম্মদ আল্-হেলাল

এমফিল গবেষক (এবিডি), আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ই-মেইল: alhelaljudu@gmail.com

ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • চাকরি বাজারে AI এর প্রভাব সুযোগ নাকি হুমকি?
  • ‘তোর ব্যবহার খারাপ’ বলে বৈষম্যবিরোধী নেতার ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা
  • লালমনিরহাটে আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার দুই পুলিশ, আসামি পলাতক
  • কুমিল্লায় রেস্তোরাঁয় দেড় বছরের শিশুকে ফেলে গেল বিদেশি পরিবার!
  • কুমিল্লার রেস্তোরাঁয় ফেলে যাওয়া শিশুকে ঘিরে রহস্যের অবসান

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম