অমৃত জ্যোতি,(মধ্যনগর)সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরের প্রায় সবকটি হাওরেই সেচের মাধ্যমে চলমান রয়েছে দেশীয় সকল প্রকার মা’মাছ,মাছের প্রজনন ধ্বংস সহ পোনা মাছের নিধনযজ্ঞ।প্রতিবছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের শেষদিকে বিভিন্ন অজুহাতে পুকুর,বিল,ডোবা,নদীর সীমানা ও বিল স্যালু ইঞ্জিনের মাধ্যমে সেচকার্য্য চালিয়ে যায় একশ্রেণীর অসাধু মৎস শিকারী।
আরেটিদল পানির পরিমান ভেধে কীটনাশক ব্যবহার করে ভাসমান ও কর্দমাক্ত মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা পিচ্ছিল মাছ গুলোও তুলে নেয়।এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে মা’মাছ ও প্রজনন।বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই পায়না কেচু জাতীয় প্রাণী ও দেশী বিদেশী পাখির গুলো পর্যন্তও রেহাই পায়’না।
অসহায় হয়ে গুমরে কাদে মৎসপ্রেমীরা।কেননা তাদের কিছুই করার থাকে না।মৎসপ্রেমী গবেষকদের মতে দেশীয় মাছ রক্ষায় সেচবন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত ও মৎস কর্মকর্তাদের অভিযান পর্যাপ্ত নয় বলছেন বলেমনে করছেন হাওর গবেষকেরা।
এমতাবস্থায় মাছের রেনু উৎপাদনে উদ্ধুদ্ধ করা,পোনা উন্মুক্ত,সঠিক রক্ষনাবেক্ষণ সহ পর্যাপ্ত প্রশাসনিক অভিযান পরিচালনা,জোরালো পদক্ষেপ ও তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহন করা অতীব জরুরী হয়ে পরেছে। সেই সাথে শুকনো মৌসুমে পর্যাপ্ত সোর্সার নিয়োগ করা প্রয়োজন বলে মনে করেছেন মৎসপ্রেমীগণ।যথাযথ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন হাওরাঞ্চলের সচেতন মহল।

