আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউতে জড়ো হতে শুরু করেছেন। দুপুর ১টার মধ্যেই পুরো সংসদ ভবন এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়েছে।
আজ দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন শহীদ হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক (বরিশাল বাঘিয়া আল আমিন কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ)।
হাদির মৃত্যুতে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
জানাজা শেষে তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে।
বিপুল জনসমাগম এবং বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে:
পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও এলাকায় টহল দিচ্ছে। ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা প্রায় ১০০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন।
নিরাপত্তা স্বার্থে জানাজায় কোনো ধরনের ব্যাগ বহন এবং এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৮টি বিশেষ বাস মানিক মিয়া এভিনিউতে পৌঁছেছে।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে হাদির জানাজায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা কালো ব্যাজ পরে এবং জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে “আমরা সবাই হাদি হব”, “হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেব না” স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত করছেন।

