মো: আলম, বান্দরবান প্রতিনিধি :
নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পরিবারের জীবনমানের উন্নয়নে বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে বান্দরবানে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করেলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপে বান্দরবানের এক হাজার সাতানব্বইটি পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালীর উপকার ভোগীদের নিয়ে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।
বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বাঙ্গালীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তবে কোনো জাতিগোষ্ঠীকে আলাদা করে তালিকা করা হয়নি।
ফ্যামিলি কার্ড সার্বজনিন। তবে প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪টি উপজেলার মধ্যে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয় এর আওতায় প্রতি পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবে।
সরকার দেশের প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি,পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজাসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ, স্পর্শবিহীন জিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে আধুনিক এই কার্ড। পরিবারে থাকা মা অথবা নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করবে সরকার। এই কার্ডে নাগরিকের সব ধরনের তথ্য থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কার্ডকে সর্বজনিন সোশাল আইডি কার্ডে রূপান্তর করা হবে।

