রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক দখল ও অর্থ পাচারের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সংকটে থাকা কয়েকটি ব্যাংক একীভূত করে “সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক” গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে এক্সিম ব্যাংক, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক।
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, নতুন গঠিত ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা যোগান দিয়েছে।
তবে সম্প্রতি ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে আগের মালিকদের আবারও ব্যাংকের পরিচালনায় ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে—এ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যাদের কারণে ব্যাংকগুলো সংকটে পড়েছিল তাদের পুনরায় নিয়ন্ত্রণে ফেরানো ব্যাংক সংস্কারের উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, এতে ব্যাংক খাতে সুশাসন ও আস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সংশোধনের মাধ্যমে বৈধ বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে, তবে অনিয়মে জড়িতদের মালিকানায় ফেরার সুযোগ থাকবে না।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংক খাতে চলমান পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে পুরো আর্থিক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

