সাজেদুল ইসলাম, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
ভূঞাপুরের যমুনা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এসময় মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে একজনকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ করে চারজনকে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে ৮টি মাটি কাটার এক্সোভেটর মেশিন ও ৩টি ড্রামট্রাক জব্দ করা হয়।
সোমবার (৪ মে) উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া এলাকায় বেলা ১২টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে নিকরাইল ইউনিয়নের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মতিনকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন এবং ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান। এসময় থানা পুলিশ ও নৌপুলিশের সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।
জানাজায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ প্রভাবশালী চক্র যমুনা নদীর চর ও পাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিল। অভিযান পরিচালনাকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে জড়িতরা খনন যন্ত্র ও মাটি বহনকারী ফেলে পালিয়ে যায়। পরে মতিন নামের একজনকে আটক করে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, বিধিমালা লঙ্ঘন করে যারা বালু উত্তোলনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং ইতোমধ্যে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

