রাজধানী ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদির।
শনিবার বিকেলের দিকে দাফন কার্য সম্পন্ন হয়। দাফনের আগে হাদিকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে আসা ছাত্র-জনতা, সহযোদ্ধা এবং স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। বিপ্লবের এই অগ্রনায়ককে হারানোর শোকে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো চত্বর।
আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ) জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ লাখো মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয় এবং কবির সমাধির পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
শরীফ ওসমান হাদির বড় ভাই এবং পরিবারের সদস্যরা জানাজার আগে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ঘাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

