থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১ জন থাই সৈন্য রয়েছেন।
এছাড়া, কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী ওদ্দার মিঞ্চে প্রদেশের অন্তত ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
কম্বোডিয়ার সংবাদমাধ্যম নম পেন পোস্ট জানায়, বান্তেয়ে আমপিল জেলার সীমান্তঘেঁষা ১২টি গ্রামের বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়েছে প্রশাসন।
প্রাদেশিক প্রশাসনের মুখপাত্র মেথ মিয়াস ফেকডে জানান, অনেকেই সরকার নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন, আবার কেউ কেউ নিজেরাই নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ভোররাতে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অংশে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে তুমুল গোলাগুলি শুরু হয়।
এই ঘটনার পর থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে “কম্বোডিয়ানদের আগ্রাসী অস্ত্র ব্যবহার” নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
থাই সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা যায়, সংঘর্ষের জবাবে থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী আকাশপথে পাল্টা অভিযান চালায়, যাতে কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চল লক্ষ্য করে যুদ্ধবিমান দিয়ে বোমা হামলা চালানো হয়।
পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় সীমান্তের দু’পাশেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সীমান্তে বসবাসকারী নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

