যখন তরুণরা নিজেদের দেশের ভবিষ্যতের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নামে, তখন তা গণতন্ত্রের শক্তিরই প্রকাশ। আমি বিশ্বাস করি, যে কোনো সরকারের সমালোচনা করার অধিকার জনগণের আছে—তবে তা অবশ্যই শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও মানবিক উপায়ে হওয়া উচিত।
আমি চাই ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে আর কোনো নিরীহ মানুষের প্রাণহানি না ঘটুক। আমি চাই না কোনো মানুষ তার ধর্ম বা পরিচয়ের কারণে ঘৃণা, বৈষম্য বা সহিংসতার শিকার হোক। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবাই সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচুক।
পরিবর্তন চাইলে শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবক, শিক্ষক, শিল্পী, ক্রীড়াবিদ, লেখক এবং সাধারণ নাগরিক—সবাই যদি ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ায়, তাহলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব।
আমি ভারতকে তার মানুষ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য সম্মান করি। আমার সমালোচনা কোনো দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নয়; তা নীতিমালা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতি। আমার কামনা—ভারতে শান্তি, ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি এবং এমন একটি ভবিষ্যৎ, যেখানে সব নাগরিক সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচতে পারবেন।
**জয় হোক মানবতা, জয় হোক শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্র।

