মোঃ শরিফ বিল্লাহ,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের চারঘরি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান চলাকালে এক শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে এক শিক্ষিকা শুয়ে আছেন এবং একজন শিশু শিক্ষার্থী তাঁর পায়ে দাঁড়িয়ে ম্যাসাজ করছে। একই কক্ষে অন্য এক শিক্ষিকাকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে এবং আরেকজনকে বসে থাকতে দেখা যায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিযোগ, পাঠদানের সময় এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্র নাথ রায় জানান, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়; এটি প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগের। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

