হবিগঞ্জ প্রতিনিধি;
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণে সন্তান জন্ম নেয়ার ঘটনায় ডিএনএ টেস্ট পরীক্ষার পর পিতৃত্ব শনাক্ত হয়েছে। সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মুর্শেদ আহমেদ চৌধুরী মুর্শিদ নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।
বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গত মঙ্গলবার ওই নারী নিযুক্ত আইনজীবি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলার সূত্র জানা যায় দীর্ঘদিন নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামের ৩৩ বছর বয়সী এক নারী মুর্শেদ আহমেদ চৌধুরী মুর্শিদের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতো এ সুবাদে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করেন মুর্শেদ।
একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। তবে অভিযুক্ত ধর্ষনের বিষয়টি অস্বীকার করে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর ওই নারী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। বিষয়টি ওই নারী মুর্শেদকে অবগত করলে তিনি সন্তানের পিতার পরিচয় দিতে অস্বীকার করেন। ফলে ওই নারী আদালতে মামলা দায়ের করেন।
পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে প্রদান করেন। তদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির পিতা হিসেবে মুর্শেদ আহমেদ চৌধুরী মুর্শিদ শনাক্ত হন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর ট্রাইব্যুনাল গত সোমবার তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

