ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফোকলোর অ্যান্ড সোস্যাল স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সভাপতি মৌসুমি আক্তার মৌ-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এয়াকুব আলী। এছাড়াও বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মৌসুমি আক্তার মৌ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটা জায়গা, এখানে তুমি হিরো হতে পারো, আবার জিরোও হতে পারে। এখন সিদ্ধান্ত তুমি নেবে যে, তুমি কী হবে। আমি আশা করব, তোমরা বিভাগের নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রেখে শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা মেনে নিজেদের মেধা ও মননশীলতার সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাবে। আজকের আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যেও বিদায়ীদের দিকে তাকালে বুকের মধ্যে কেমন যেন অনুভূতি হচ্ছে। আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। এ কথা আমি নির্দ্বিধায় বলব, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা আমার মনিকোঠায় থাকবে। এই বিদায় মানে আমাদের সম্পর্কের অবসান নয়। এটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সুরক্ষিত সীমানা পেরিয়ে এক বাস্তব ও বৃহত্তর কর্মজীবনে তোমাদের পদার্পণ।
উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তজার্তিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। বিগতদিনে বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে, যার মধ্যে বর্তমান শিক্ষার্থীরাও সম্পৃক্ত আছে। শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও অন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। তারা অতীতে যেমন শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও তেমনি কাজ করে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় পর্যায়ের অবস্থানকে আরো বেশি বেগবান করার জন্য আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যার অন্যতম বিষয় হচ্ছে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইন্ডাস্ট্রিতে একটা কলাবরেশন যেটা বিদেশে আমরা দেখেছি এবং সেই কলাবরেশনটা আমরা শুরু করবো ইনশাআল্লাহ অতি।

