বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন দেখা দিয়েছে। ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, এতে স্বর্ণের দাম এক শতাংশেরও বেশি কমে গেছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৪২.৬১ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার ১ শতাংশ কমে ৪,১৬০.২০ ডলারে দাঁড়ায়।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, তেলের দামে পতনের কারণে স্বর্ণ কিছুটা সহায়তা পেলেও শক্তিশালী মার্কিন ডলারের কারণে সেই সুবিধা টিকছে না। ফেডের সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশায় ডলার আরও শক্তিশালী হচ্ছে, যা স্বর্ণের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
গত সপ্তাহে এক বছরের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর পরও ডলার এখনো শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে বলে জানা গেছে। নতুন সমঝোতা অনুযায়ী প্রথম দফার আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও পতন দেখা গেছে। স্পট সিলভার, প্লাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

