জামিউল ইসলাম তুরান, শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি:
সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. হাসনাত হোসেন এবং জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজুকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক নুরুল হক এবং জগন্নাথপুর আমল গ্রহণকারী আদালতের বিচারক মো. এমদাদ হোসেনের আদালতে পৃথকভাবে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে দুই বিচারক-ই তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
হাসনাতের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. শফিকুল ইসলাম এবং রিজুর পক্ষে অ্যাড. নজরুল ইসলাম|
দুই জনের পৃথক জামিন শুনানীতেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা শুনানীতে অংশ নেন।
২০২৪ সালের ২ রা সেপ্টে¤^র সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এবং সাবেক তিন সংসদ সদস্যসহ (এমপি) ৯৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়| এতে সুনামগঞ্জের সাবেক তিন পুলিশ কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়েছিল| ওই মামলায় হাসনাতকে আসামি করা হয়| হাফিজ আহমদ নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে সুনামগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দ্রুত বিচার আদালতে এই মামলা করেন|
হাফিজ আহমদ দোয়ারাবাজার উপজেলার এরোয়াখাই গ্রামের বাসিন্দা| তিনি সুনামগঞ্জ পৌর শহরে ২০২৪ সালের চার আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত জহুর আলীর বড় ভাই।
অন্যদিকে গেল বছরের ১৯ নভে¤^র জগন্নাথপুরের মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় ভাংচুর, চুরি ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে সাবেক মন্ত্রী এমএ মান্নান, রেজাউল করিম রিজুসহ ৪৯ নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়| ওই মামলার বাদী ছিলেন মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুন নূর|
আদালতে হাসনাত ও রিজুর জামিন আবেদনের শুনানীর সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধীতা প্রদান করেন|

