তৌহিদ তুহিন, চুয়াডাঙ্গা
তবে এবার বড় আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। ক্রেতারা বেশি ঝুঁকছেন ছোট ও মাঝারি সাইজের দেশি গরুর দিকে। হাটে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের গরু উঠলেও মাঝারি গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।
হাট ঘুরে দেখা যায়, জেলার অন্যতম বৃহৎ ডুগডুগি পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট পরিবেশ বিরাজ করছে। দর কষাকষির মধ্য দিয়েই চলছে গরু কেনাবেচা। দামের সঙ্গে মিললেই কোরবানির জন্য গরু কিনছেন ক্রেতারা।
ক্রেতাদের অনেকেই জানান, বড় গরুর দাম বেশি হওয়ায় তারা মাঝারি গরুর দিকেই বেশি আগ্রহী। বর্তমানে হাটে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে বেশি গরু বিক্রি হচ্ছে।
হাট কর্তৃপক্ষ জানায়, জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি ও দুষ্কৃতিকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে মাইকিং করা হচ্ছে। হাটগুলোতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মেডিকেল টিমও কাজ করছে।
গরু বিক্রেতারা জানান, খাদ্যের দাম বৃদ্ধি সত্ত্বেও তারা সারা বছর ধরে গরু পালন করেছেন। তবে বড় গরুর চাহিদা কমে যাওয়ায় তারা কিছুটা ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ২ হাজার ২৩৯টি গরু, ছাগল ও ভেড়া। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার ১৮১টি পশু। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৭১ হাজারের বেশি অতিরিক্ত পশু রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এবার জেলায় গরু, ছাগল ও ভেড়া মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ পশু প্রস্তুত রয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায়ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

