ক্রাইম রিপোর্টার:
রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের বৈরাগীপাড়া এলাকায় মন্দিরের সীমানা প্রাচীর ভাঙাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শ্রী হিরেন্দ্র ওরফে কৈলাশ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৈরাগীপাড়া এলাকার একটি সনাতন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চলাচলের রাস্তা তৈরির চেষ্টা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলছিল।
লিখিত অভিযোগে শ্রী মিন্টু মহন্ত, খোকন মহন্ত, সচিন মহন্ত ও দীপু মহন্তের নাম উল্লেখ করে অভিযোগকারী দাবি করেন গত ১৫ মে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মন্দির কমিটির সদস্য বাবু নীরেশ চন্দ্র মহন্ত, নিতাই চন্দ্র মহন্ত, সুধীর চন্দ্র রায়, রনজিৎ চন্দ্র রায়, প্রভাষ চন্দ্র রায়সহ স্থানীয়রা মন্দিরের দেয়াল ভাঙার বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় অভিযুক্তরা চেয়ার ভাঙচুর করে এবং কৈলাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরার চেষ্টা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ১৬ মে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে হিরেন্দ্র ওরফে কৈলাশ অটো ইজিবাইক নিয়ে বের হওয়ার সময় হরিদেবপুর ফুটবল মাঠ সংলগ্ন শহিদুলের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও জখম হয়।
হামলার সময় তার শার্টের পকেটে থাকা ৫৫ হাজার ৫৫০ টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে পরিবারের সদস্যরা কৈলাশকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতে নিয়ে যায়। এবং তিনি এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোতয়ালী সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

