সাজ্জাদ হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল মির্জাপুরে বিস্ময়কর ঘটনা, মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তর নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। উপজেলার জার্মুকী ইউনিয়নের আগধল্ল্যা এলাকায় বইছে কৌতূহলের হাওয়া। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ১৩ বছর বয়সী এক মেয়ে, যে এখন নিজেকে দাবি করছে ছেলে হিসেবে।
স্থানীয় বাদশা মিয়ার বড় মেয়ে নুম্নি আক্তার। তিন বোনের মধ্যে বড় নুম্নি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো। এলাকাবাসীর কাছে সে এতকাল মেয়ে হিসেবেই পরিচিত ছিল। তবে সম্প্রতি তার শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তনে বদলে গেছে দৃশ্যপট। বৃহস্পতিবার (১৪মে ২০২৬) শারীরিক পরিবর্তন হওয়া নুম্নি এ বিষয় গুলো তুলে ধরেন।
স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান,আমরা ছোটবেলা থেকেই ওকে মেয়ে হিসেবে দেখে আসছি। হঠাৎ শুনলাম ও ছেলে হয়ে গেছে। এখন তো শার্ট-প্যান্ট পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা দেখে সবাই অবাক।

পরিবার জানায়, আমার তিনটাই মেয়ে ছিল, এখন আল্লাহ একটা ছেলে দিছে। আমরা সবাই খুব খুশি। এলাকাবাসীও ওকে দেখতে আসছে। মেয়ের এই পরিবর্তনে পরিবারে বইছে আনন্দের জোয়ার। নুম্নি আক্তার নাম বদলে পরিবারের পক্ষ থেকে তার নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘নুর নবী’। বাদশা মিয়ার পরিবার এই রূপান্তরকে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ হিসেবেই দেখছেন।
যদিও নুম্নির পরিবার এবং এলাকাবাসী একে অলৌকিক মনে করছেন, তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতামত পাওয়া যায়নি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে অনেক সময় বাহ্যিক লিঙ্গীয় বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসতে পারে, যা যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
আপাতত কিশোরী থেকে কিশোর হওয়া নুর নবীকে এক নজর দেখতে বাদশা মিয়ার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা উৎসুক মানুষ। পাশাপাশি লিঙ্গ পরিবর্তন হওয়া মেয়েটি চায় সামাজিক স্বীকৃতি।

