নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়া এবং নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশা বাড়ছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।
সংগঠনটি জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় বাজেটের আগেই ‘জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫’-এর চূড়ান্ত সুপারিশ দ্রুত প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সংগঠনের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আবেদনে এ দাবি জানানো হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। এই সময়ে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ ও চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা আর্থিক চাপে পড়ে কষ্টকর জীবনযাপন করছেন।
সংগঠনটির দাবি, অনেক কর্মচারী এখন বাধ্য হয়ে ব্যাংক ঋণ ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের ওপর নির্ভর করছেন। পাশাপাশি পে স্কেল নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা চললেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, ২০১৫ সালের বেতন কাঠামোতে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা প্রতিফলিত হয়নি। এতে শুধু কর্মচারীদের জীবনমানই নয়, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতেও প্রভাব পড়ছে।
এ অবস্থায় প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইনশৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মরতদের স্বস্তি দিতে বাজেটের আগেই সুপারিশ চূড়ান্ত করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

