Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

ভবন না থাকায় আকাশে মেঘ দেখলেই ছুটির ঘন্টা বাজায় দপ্তরি

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
১২:৫০ pm ১১, মে ২০২৬
in Semi Lead News, সারাদেশ
A A
0
মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:
যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা। এ উপজেলার ৬ নং গোগা ইউনিয়নের পাঁচ ভুলাট গ্রামে অবস্থিত পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাস। মাদ্রাসার মধ্যে খুলনা বিভাগে দাখিল পরীক্ষায় ফলাফলে অদ্বিতীয়। কিন্তুু এ মাদ্রাসাটি স্থাপিত হওয়ার ৪২ বছর পরও আজ অবধি সরকারিভাবে কোন ভবন পায়নি মাদ্রাসাটি।
জানা যায়, টিনশেড দুটি ঘরে ছোট-বড় অনেক ছিদ্র। দরজা-জানালা নেই বললেই চলে। টিনে চালে জং ধরে হাজারো ছিদ্রের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে শ্রেণিকক্ষে জমে পানি। ভাঙাচোরা এসব ঘরে বছরের পর বছর ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী। ভাঙাচোরা পুরাতন টিন শেডে ক্লাস নেয়া হয় শিক্ষার্থীদের। আকাশে মেঘ দেখলেই ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে দেয় দপ্তরি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন বই, খাতা, গায়ের পোশাক ভিজে যাওয়ার ভয়ে ছুটি দেয়া হয় মাদ্রাসা। তেমনি  গ্রীষ্ম মৌসুমে অতি গরমে টিন শেডে ক্লাস করতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পাঠ দানে অসুবিধা হওয়ায় খুব সকালেই ক্লাস করা হয় এখানে। কষ্ট ও দুর্ভোগ নিয়ে লেখাপড়া করছে তারা।
এ মাদ্রাসাটিতে পড়ানো হয় (প্রথম শ্রেনী) এবতেদায়ী থেকে দাখিল (দশম শ্রেনী) পর্যন্ত। ১৯৮৪ সালে স্থাপিত হয়ে মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত হয় তিন যুগ আগে। এ মাদ্রাসায় শিক্ষক ও কর্মচারী ২৬ জন থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ১৯ জন। ইতিমধ্যে এনটিআরসিতে শিক্ষক চেয়েছেন মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদ। এবতেদাযী থেকে দাখিল পর্যন্ত শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৯২ জন। এবতেদায়ীতে রয়েছে ১৬২ জন এবং দাখিলে রয়েছে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী। প্রতি বছর এ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে শত ভাগ পাস করেন। এ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাশ করে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারী কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারী বিশ্ব বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। অনেকে আবার শিক্ষা জীবন শেষ করে চাকুরি করছে।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ৪২ বছরেও মাদ্রাসার পাকা ভবন নির্মাণ হয়নি। একটি ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে কয়েকবার চিঠি দিয়েও কোনও কাজ হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের যথাযথ উদ্যোগের অভাবে প্রতিষ্ঠার এত বছর পরও প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি পাকা ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ভবন না থাকার পাশাপাশি আছে শ্রেণিকক্ষের সংকট। এখানে  ছোট্র একটি হলুদ  ভবন আছে যেটি এলাকাবাসী চাঁদা তুলে তৈরী করেছিল। এখানে শুধু রাখা হয় মাদ্রাসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
পাঁচ ভুলাট গ্রামের প্রবীন শিক্ষা অনুরাগী আব্দুল মজিদ সর্দার জানান, মাদ্রাসাটির কোন ভবন না থাকায় এখানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।
মাদ্রাসার ৭ম শ্রেনীর ছাত্র মারুফ হাসান জানান, এ মাদ্রাসার ভাঙাচোরা ঘরে ক্লাস করতে আমাদের অনেক কস্ট হয়। আমাদের অনেক বন্ধু বর্ষা মৌসুমে মাদ্রাসায় আসতে চাই না। এ মাদ্রাসাটির জন্য জরুরী ভিত্তিতে ৪ তলা একটি বিল্ডিং প্রয়োজন।
অস্টম শ্রেনীর ছাত্রী তাসলিমা খাতুন জানান, গরমের সময় এই মাদ্রাসার পুরাতন টিন শেডে ক্লাস করা যায় না। আমাদের অনেক বান্ধবী গরমে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মত ঘটনা অনেকবার ঘটেছে।
মাদ্রাসার আলিম ও দাখিলের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন ও হাসনাইন জানিয়েছেন, ঘরগুলোর দরজা-জানালা নেই। টিনের চাল ফুটো হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। কখন ঘরগুলো বাতাসে ভেঙে পড়ে, তা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। এমন কষ্ট নিয়ে বছরের পর বছর পড়াশোনা করছি আমরা।
দুর্ভোগের কথা জানিয়ে সপ্তম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হোসনে আরা ও ফাতেমা আক্তার জানায়, একেবারে বেহাল অবস্থা। টিনের চালগুলো জরাজীর্ণ। ঘরের বেড়া নেই। বৃষ্টি হলে বই-খাতা ভিজে যায়। তখন শ্রেণিকক্ষে থাকা যায় না। আমাদের পড়ালেখায় সমস্যা হয়। তবু আশপাশে বড় মাদ্রাসা না থাকায় এখানে পড়তে হচ্ছে। আমাদের মাদ্রাসায় একটি পাকা ভবন নির্মাণের অনুরোধ জানাচ্ছি দায়িত্বশীলদের।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো: আয়ুব আলী জানান, আমার এ মাদ্রাসার কোন ভবন নেই, শিক্ষকদের বসার কোন জায়গা নেই। একটি ছোট রুমে ১৯ জন শিক্ষক কর্মচারীকে বসতে হয় কষ্ট করে। অনেক শিক্ষক বসেন বারান্দায় বিছানা পেতে।  আকাশে মেঘ দেখলেই ঝড় বৃষ্টির ভয়ে মাদ্রাসা ছুটি দিতে হয় বাধ্য হয়ে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান ও অফিসের কার্যক্রম। বর্ষাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আতঙ্কে থাকি। নতুন একটি ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দফতরে আবেদন করেছি। শ্রেণিকক্ষ সংকট ও বেহাল অবস্থার কারণে অভিভাবকরা এখন আর তাদের সন্তানদের এখানে ভর্তি করাতে চান না।
তিনি আরো জানান, নতুন ভবনের জন্য কয়েকবার শার্শা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরে একটি আবেদন করা হয়েছে। অনুরুপ একটি আবেদন মাননীয় সংসদ সদস্যের কাছেও করা হয়েছে। কিন্তু ভবন নির্মাণে আজও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একটি পাকা ভবন নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একডেমিক সুপারভাইজার এম নূরুজ্জামান বলেন, উপজেলার প্রতিটি মাদ্রাসায় পর্যায়ক্রমে পাকা ভবন হবে। বর্তমানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে নতুন ভবন নির্মাণের কোন ঘোষনা আসেনি। ওই মাদ্রাসা ভবনের জন্য আবেদন করা থাকলে নতুন পাকা একটি ভবন সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে পাস হবে। তখন ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস, এম সুলতান মাহমুদ জানান মাদ্রাটির কোন ভবন নেই, টিন শেডের যেটি আছে তা ব্যবহার উপযোগী নয়। আমরাও দেখেছি দেখা যাক কি করা যায়।
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • টিসিবির কার্যক্রমকে প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • সংকটে জরাজীর্ণ বেরোবির মেডিকেল সেন্টার
  • মাগুরায় ছাদবাগানে আঙ্গুর চাষে সফল সাংবাদিক আলামিন
  • ভারতীয়দের এক বছর স্বর্ণ না কেনার পরামর্শ মোদির
  • খালেদা জিয়ার আমলেই পদ্মা সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়েছিল: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুর ইসলাম (রাশেদ মানিক)
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম