নুরী আক্তার মুন, ডেস্ক রিপোর্ট :
পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ “মা”—এই ডাকেই যেন লুকিয়ে আছে ভালোবাসা, মমতা ও নিঃস্বার্থ ত্যাগের অসীম শক্তি। জন্মের পর থেকে প্রতিটি সন্তানের জীবনে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও এটি। তাই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে “বিশ্ব মা দিবস”।
প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এই দিনটি পালন করা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশেও ঘরোয়া পরিবেশে সন্তানরা মাকে ফুল, উপহার, শুভেচ্ছা বার্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে।
ঐতিহাসিকভাবে জানা যায়, আধুনিক মা দিবসের ধারণা প্রবর্তন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজকর্মী অ্যানা জারভিস। পরে তার কন্যা আনা এম জারভিস মায়ের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এ দিবসটি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে “মা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করেন।
দিনটি মূলত মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ, দায়িত্ব ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানানোর প্রতীক। মায়েরা সন্তানের প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।
বিশেষ এই দিনে অনেকেই মায়ের সঙ্গে সময় কাটান, কেউ রান্না করে খাওয়ান, আবার কেউ দূরে থাকলে ফোন বা বার্তার মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মা দিবস শুধু একটি উদযাপন নয়; এটি মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি স্মরণীয় সুযোগ। তবে অনেকেই বলেন, মাকে ভালোবাসার জন্য আলাদা দিনের প্রয়োজন নেই—প্রতিটি দিনই হওয়া উচিত মায়ের জন্য ভালোবাসার দিন।
তবুও বিশ্ব মা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর সব মায়েরাই ভালোবাসা ও সম্মানের যোগ্য।

